বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদের উদ্যোগে। তিনি বুয়েটের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের প্রধান ছিলেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সোনার পদক পেয়েছে।
ড. কায়কোবাদ মুক্তিযুদ্ধের আগে ইন্টার পরীক্ষা পেছাল। ১৯৭৩ সালে তাঁর ফল প্রকাশিত হয়। তিনি বুয়েট, মেডিকেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেন এবং সব জায়গাতেই ভালো ফল করেন। কিন্তু তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে চলে যান।
সোভিয়েত ইউনিয়নে তিনি শিপ বিল্ডিং বিভাগে পড়া শুরু করেন। কিন্তু তিনি ড্রয়িং পছন্দ করেন না। তাই তিনি বিভাগ বদল করে অটোমেটেড ম্যানেজমেন্ট অব মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টে চলে যান। এখানেই তিনি কম্পিউটারের সঙ্গে তাঁর জীবনব্যাপী সম্পর্ক শুরু করেন।
ড. কায়কোবাদ গণিত অলিম্পিয়াডের প্রচেষ্টা শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণে উত্সাহিত করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সোনার পদক পেয়েছে।
ড. কায়কোবাদ একজন নিরহংকার ও সাদাসিধে মানুষ। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণে উত্সাহিত করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সোনার পদক পেয়েছে।
ড. কায়কোবাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। তাঁর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সোনার পদক পেয়েছে। তাঁর প্রচেষ্টা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো উদাহরণ।
শিক্ষার্থীরা ড. কায়কোবাদের প্রচেষ্টা অনুসরণ করে গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতে পারে। তাঁরা গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে সোনার পদক পেতে পারে। ড. কায়কোবাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভালো উদাহরণ।



