ফুলবাড়ি খনি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তর্কে জড়িয়েছেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শফিকুল আলম ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ২০০৬ সালের ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রকল্প বন্ধ করা ছিল জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’। এজন্য তিনি বামপন্থীদের সমালোচনা করেন।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ তার তীব্র সমালোচনা করে পোস্ট দেন। তিনি অভিযোগ করেন, শফিকুল আলমের বক্তব্য ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং তা বাংলাদেশের জনগণকে অসম্মান করে।
শফিকুল আলম আবারও ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গঠনমূলক বিতর্ক সুস্থ গণতন্ত্রের ভিত্তি। ব্যক্তিগত আক্রমণ বা বিদ্বেষমূলক ভাষা শুধু অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করে।’
ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন ইস্যুতে এই তর্কের শুরু। এই ইস্যুতে দেশের বিভিন্ন মহলের মানুষ তাদের মতামত প্রকাশ করছেন।
এই তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তারা বলছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই ইস্যুতে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করছেন অনেকে। তারা বলছেন, সরকারকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
এই তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ইস্যুতে তাদের মতামত প্রকাশ করছে।
এই তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জনগণকে সচেতন হতে হবে বলে মনে করছেন অনেকে। তারা বলছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জনগণকে সচেতন হতে হবে।
এই তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তারা বলছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।



