সরকার মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক (কাজি) নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিধি বাড়িয়েছে। এখন থেকে আলিয়া মাদ্রাসার পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃত ডিগ্রিধারীরাও নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজি হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, এতদিন নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়ার সুযোগ কেবল আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম সনদধারী ব্যক্তিদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল।
আইন মন্ত্রণালয় এই সুযোগ আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করেছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আজ থেকে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃত বোর্ড থেকে ‘দাওরায়ে হাদিস’ সনদধারী ব্যক্তিরাও কাজী পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কওমি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কাজি পদে আবেদন করতে পারবেন এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে এবং দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ সুযোগ পাবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো দেশের সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে এবং দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ সমান সুযোগ পাবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষের জন্য ভবিষ্যত উজ্জ্বল করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মানুষের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের জন্য সমান অধিকার প্রদান করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ সমান অধিকার পাবেন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য হলো দেশের মানুষের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার ব্যবস্থা করা। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত



