ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত ক্রেমেনচুক শহরে রাশিয়ার বিমান হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় শহরের অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়নি।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচকদের সাথে তিন দিনের আলোচনার পর একটি ‘খুবই গঠনমূলক’ ফোন কল করেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য ছিল একটি শান্তি চুক্তি প্রণয়ন করা যা উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা বিভিন্ন স্থানে ৭৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনাগুলি ঘটেছে যখন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য আলোচনার প্রচেষ্টা চলছে।
ক্রেমেনচুকের মেয়র ভিটালি মালেটস্ক জানিয়েছেন যে তার শহরে একটি ‘বৃহৎ সমন্বিত হামলা’ হয়েছে। এই হামলার ফলে শহরের জল, বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি জানিয়েছেন যে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেছেন, ‘আমরা প্রকৃতপক্ষে শান্তি অর্জন করতে চাই এবং রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে চাই’।
রাশিয়ার এই হামলাগুলি ঘটেছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষকে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হল যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজছে। ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ হবে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা যায়।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই আলোচনার লক্ষ্য হল একটি শান্তি চুক্তি প্রণয়ন করা যা উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে। এই প্রক্রিয়াটি কঠিন হবে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা যায়।
রাশিয়ার হামলার ফলে ইউক্রেনের অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই হামলার ফলে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতি সমাধান করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন।
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ হবে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা যায়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।



