চীন ভারত সীমান্তে অত্যাধুনিক গোয়েন্দা রোবট মোতায়েন করেছে বলে খবর। এই রোবটগুলো দেখতে মানুষের মতো, কথা বলতে পারে এবং হাঁটতে পারে। এগুলো ভারতীয় সেনার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে।
চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, সাংহাইয়ের একটি সংস্থা ২৬ নভেম্বর এই রোবটের সফল পরীক্ষা চালায়। এই রোবটটি ১০৬ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পেরেছে। এটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও স্থান পেয়েছে।
এই রোবটটির উচ্চতা ১.৭৫ মিটার এবং ওজন ৫৫ কিলোগ্রাম। এতে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মোবাইল ফোন বা পাওয়ার ব্যাংকের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করে। এটি ১০০ কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করতে পেরেছে।
চীনের সাংহাইয়ের এই সংস্থাটি দীর্ঘ দিন ধরেই রোবট তৈরি করে আসছে। তাদের তৈরি এই রোবটটির নাম ‘অ্যাজিবট এ২’। এতে জিপিএস এবং ইনফ্রারেড ডেপথ ক্যামেরা রয়েছে। এটি পথ দেখিয়ে সুনির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে নিয়ে গেছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, মনুষ্যরূপী সেনা যন্ত্রমানব নির্মাণের থেকে খুব একটা দূরে নেই ভারতও। যদিও কৃত্রিম মেধা প্রযুক্তির নিরিখে নয়াদিল্লির থেকে বেইজিং এগিয়ে আছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তারা।
এই রোবটগুলো ভবিষ্যতে জীবনে বা কাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এগুলো সেনাবাহিনীতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও এগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
চীনের এই রোবট প্রযুক্তি ভারতকে চ্যালেঞ্জ করছে। ভারতকে এই ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে হবে। ভারতের সেনাবাহিনীকে এই রোবটগুলো ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও ভারতকে এই ক্ষেত্রে গবেষণা করতে হবে।



