জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য জেএসএস প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রথমে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ঊষাতন তালুকদার। তবে দেশের ওই সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনা করে দলীয় সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা জানান, পাহাড়ের স্থানীয় ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে ভূমিকা রাখে আঞ্চলিক দলগুলো। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) না থাকায় এই দলগুলোর গুরুত্ব আরও বাড়বে।
রাজনৈতিক দল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৭২ সালে। সক্রিয় রাজনৈতিক দল না হলেও ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজাতি কল্যাণ পরিষদের’ ব্যানারে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মানবেন্দ্র নারায়ণ (এম এন) লারমা। যিনি জেএসএসের প্রতিষ্ঠাতা।
জেএসএসের মতো নির্বাচনের মাঠে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে থাকার ঘোষণা দিয়েছে পাহাড়ের আরও তিনটি আঞ্চলিক দল। এগুলো হচ্ছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও জেএসএস (এম এন লারমা)। তাদের মধ্যে ইউপিডিএফ ও জেএসএস (এম এন লারমা) নির্বাচনে সরাসরি প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নির্বাচনে প্রার্থী না দিলেও অন্য কোনো দলকে সমর্থন দেবে। আঞ্চলিক দলগুলোর নেতারা এমন তথ্য জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে দেশের প্রধান দুই দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
জেএসএসের সহসভাপতি ঊষাতন তালুকদারের রাঙামাটিতে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বান্দরবানে জেএসএসের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এস মং। তবে খাগড়াছড়ি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানালেও কে হবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়।
আঞ্চলিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে এত দিন তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেনি। অবশেষে তফসিল ঘোষণার আগমুহূর্তে নির্বাচনে লড়বে কি লড়বে না, সে বিষয়ে অবস্থান জানান দিয়েছে জেএসএস। অন্য দলগুলো তাদের অবস্থান দ্রুত জানাবে বলে জানা গেছে।
জেএসএসের এই সিদ্ধান্তের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও গতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন।
জেএসএসের সহসভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে তিনি এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য দেননি।
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেএসএসের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন।
জেএসএসের এই সিদ্ধান্তের ফলে পার



