বাংলাদেশের দরিদ্র পরিবারগুলোতে শিশু মৃত্যুর হার অনেক বেশি। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর হার দরিদ্র পরিবারগুলোতে ধনী পরিবারগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
এই সমীক্ষাটি করা হয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায়। এতে দেখা যায়, দরিদ্র পরিবারগুলোতে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজার জীবিত শিশুর মধ্যে ৩৯, যেখানে ধনী পরিবারগুলোতে এই হার ২২।
মায়ের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অবস্থাও শিশুর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে। সমীক্ষায় দেখা যায়, মায়ের শিক্ষা না থাকলে বা শিক্ষা কম হলে শিশু মৃত্যুর হার বেশি।
দরিদ্র পরিবারগুলোতে মায়েরা স্বাস্থ্যসেবা পায় কম। সমীক্ষায় দেখা যায়, ধনী পরিবারগুলোতে ৯৯ শতাংশ মায়ের গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার হার, যেখানে দরিদ্র পরিবারগুলোতে এই হার ৮৪ শতাংশ।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার অবস্থা উন্নত করার জন্য সরকারকে আরও কাজ করতে হবে। দরিদ্র পরিবারগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
শিশু মৃত্যুর হার কমানোর জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং সমাজের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
আমরা কি শিশু মৃত্যুর হার কমাতে পারব? আমরা কি দরিদ্র পরিবারগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে পারব? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের সবার একসাথে কাজ করার মধ্যেই নিহিত।



