ইন্টার মিয়ামি ক্লাবটি এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে তাদের দ্বিতীয় শিরোপা অর্জন করেছে। এই ম্যাচে লিওনেল মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করে জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন।
শনিবার নিউ ইয়র্কের চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ইন্টার মিয়ামি ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই ইন্টার মিয়ামি এগিয়ে যায়।
মেসি ও রদ্রিগো ডি পলের চমৎকার বিল্ড-আপের পর তাদেও আলেন্দের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে ভ্যাঙ্কুভারের ডিফেন্ডার এদিয়ের ওকাম্পোর গায়ে লেগে বল জালে ঢুকে পড়ে। ৬০ মিনিটে কানাডিয়ান তারকা আলী আহমেদের জোরালো শটে সমতায় ফিরে আসে ভ্যাঙ্কুভার।
তবে মেসির সামনে প্রতিপক্ষের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ টিকতে পারে না। ৭১তম মিনিটে প্রতিপক্ষের টার্নওভার থেকে বল কাড়েন মেসি এবং নিখুঁত পাসে আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলকে দিয়ে গোল করান।
যোগ করা সময়ের ৯৬তম মিনিটে আবারও মেসির বাঁ পায়ের জাদু। একটি অসাধারণ থ্রু-পাসে আলেন্দেকে গোলের সুযোগ করে দেন। নিচু শটে ফিনিশিং করে আলেন্দে নিশ্চিত করেন মায়ামির শিরোপা।
এই ম্যাচেই ক্যারিয়ারের শেষবারের মত মাঠে নামেন বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার সার্জিও বুস্কেটস। বার্সেলোনার কিংবদন্তি এই তারকা সোনালি ক্যারিয়ারের সমাপ্তি টানলেন শিরোপা হাতে।
৩০ বছরের এমএলএস ইতিহাসে ১৬তম ক্লাব হিসেবে এমএলএস কাপ জয়ের কীর্তি গড়ল ইন্টার মায়ামি। ক্লাবটির দ্বিতীয় শিরোপা এটি। এর আগে ২০২৪ মৌসুমে এমএলএস সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি।
ইন্টার মিয়ামির এই জয় তাদের ক্লাবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তাদের দ্বিতীয় শিরোপা অর্জন করেছে।
এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে ইন্টার মিয়ামি তাদের ক্লাবের নামকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। এই জয় তাদের ক্লাবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি।
ইন্টার মিয়ামির এই জয় তাদের ক্লাবের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হবে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তাদের ক্লাবের নামকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে ইন্টার মিয়ামি তাদের ক্লাবের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই জয় তাদের ক্লাবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি।
ইন্টার মিয়ামির এই জয় তাদের ক্লাবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে রেকর্ড করা হবে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তাদের ক্লাবের নামকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে ইন্টার মিয়ামি তাদের ক্লাবের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই জয় তাদের ক্লাবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি।
ইন্টার মিয়ামির এই জয় তাদের ক্লাবের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হবে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তাদের ক্লাবের নামকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
এমএলএস কাপ জয়ের মাধ্যমে ইন্টার মিয়ামি তাদের ক্লাবের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই জয় তাদের ক্লাবের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি।
ইন্টার মিয়ামির এই জয় তাদের ক্লাবের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক



