গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার নুনিয়াগাড়ি এলাকায় একটি ছোট ঘরে শুরু হয়েছে মিতু এমব্রয়ডারি পল্লী। এখানে নারীরা সেলাই করে তাদের সংসারের হাল ধরেছেন। মিতু আক্তার নামের একজন নারী এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন।
মিতু আক্তারের জীবনে একসময় অভাব-অনটন পিছু ছাড়েনি। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। সেলাইয়ের কাজ শুরু করে তিনি নিজের সংসারের হাল ধরেছেন। এখন তার এই উদ্যোগে অনেক নারী কাজ করছেন।
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লীতে নারীরা থ্রি-পিস, ওড়না, পর্দা, পাঞ্জাবি, বেডশিট ও নকশিকাঁথা তৈরি করছেন। এই পণ্যগুলি অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে। মিতু আক্তারের মাসিক আয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা।
মিতু আক্তারের স্বামী মিজানুর রহমান তার সেলাইয়ের কাজে সব সময় উৎসাহ-অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মিতুর সেলাইয়ের কাজে সব সময় উৎসাহ-অনুপ্রেরণা দিই। তাকে নানাভাবে সহায়তা করছি।’
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লীতে কাজ করছেন ৭০০ থেকে ৮০০ জন নারী। এই নারীরা তাদের সংসারের হাল ধরেছেন। মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি আশার আলো।
মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে যে নারীরা যদি চায় তাহলে তারা তাদের সংসারের হাল ধরতে পারে। তাদের জন্য প্রয়োজন শুধু একটু উৎসাহ-অনুপ্রেরণা।
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লী একটি সফল উদ্যোগ। এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে যে নারীরা যদি চায় তাহলে তারা তাদের সংসারের হাল ধরতে পারে। এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি আশার আলো।
মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ অনুসরণ করে অনেক নারী তাদের সংসারের হাল ধরতে পারবেন। এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি ভালো দিকে নিয়ে যাবে।
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লীতে কাজ করছেন অনেক নারী। এই নারীরা তাদের সংসারের হাল ধরেছেন। মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি আশার আলো।
মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে যে নারীরা যদি চায় তাহলে তারা তাদের সংসারের হাল ধরতে পারে। তাদের জন্য প্রয়োজন শুধু একটু উৎসাহ-অনুপ্রেরণা।
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লী একটি সফল উদ্যোগ। এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে যে নারীরা যদি চায় তাহলে তারা তাদের সংসারের হাল ধরতে পারে। এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি আশার আলো।
মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ অনুসরণ করে অনেক নারী তাদের সংসারের হাল ধরতে পারবেন। এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি ভালো দিকে নিয়ে যাবে।
মিতু এমব্রয়ডারি পল্লীতে কাজ করছেন অনেক নারী। এই নারীরা তাদের সংসারের হাল ধরেছেন। মিতু আক্তারের এই উদ্যোগ নারীদের জন্য একটি আশার আলো।



