২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৮৯ শতাংশ সাংবাদিক ভবিষ্যত নির্বাচনে শারীরিক আক্রমণের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ডিজিটালি রাইট প্রতিষ্ঠানের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। এই সমীক্ষা করা হয়েছে মিডিয়া সেফটি ইন দ্য ডিজিটাল এজ উদ্যোগের অংশ হিসেবে। এতে ১৯টি জেলা থেকে ২০১ জন সাংবাদিকের মতামত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১০ জন সাংবাদিকের সাথে গভীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, ৭৬ শতাংশ সাংবাদিক মনে করেন, তারা মৌখিক হয়রানির শিকার হবেন। আবার ৭১ শতাংশ সাংবাদিক হুমকির শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন। নারী সাংবাদিকদের ঝুঁকি আরও বেশি। সমীক্ষায় দেখা যায়, ৫০ শতাংশ নারী সাংবাদিক যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন। আবার ৪০ শতাংশ নারী সাংবাদিক যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, ৯০ শতাংশ সাংবাদিক রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে নিরাপত্তা হুমকির প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এছাড়াও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও চরমপন্থী ধর্মীয় গোষ্ঠীকেও ঝুঁকির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, মাত্র ২৪ শতাংশ সাংবাদিক তাদের নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা সরঞ্জাম বা প্রশিক্ষণ পান। ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রায় অনুপস্থিত। মাত্র ২৩ শতাংশ সাংবাদিক বলেছেন, তাদের নিয়োগকর্তা তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছেন।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরুষ সাংবাদিকদের তুলনায় কম। মাত্র ১৭ শতাংশ নারী সাংবাদিক বলেছেন, তাদের নিয়োগকর্তা তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছেন।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য সরকার ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য সরকার ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সমীক্ষায় দেখা যায়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য সরকার ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার জন্য সরকার ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।



