গাজার মিসর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং একমুখী খোলার ইসরায়েলের পরিকল্পনাকে আরব দেশগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূখণ্ড ছেড়ে যেতে পারবে, কিন্তু ফিরে আসতে পারবে না। এছাড়াও, গাজায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করা হবে।
শুক্রবার মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি জারি করেছেন। এতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক ঘোষণায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে মিসরে বাসিন্দাদের প্রস্থানের জন্য রাফা ক্রসিং খোলা হবে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনকারী এই ঘোষণাটি ইসরায়েলি সামরিক ইউনিট ‘কোঅর্ডিনেশন অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ ইন টেরিটরিজ ঘোষণা করেছে। মিসর এবং মধ্যস্থতা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীরা এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি থেকে বিতাড়িত করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি।
এই পরিকল্পনার প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর একটি স্পষ্ট বার্তা যে, তারা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে।
আরব দেশগুলোর এই প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের পরিকল্পনাকে আরও বাধাগ্রস্ত করবে। এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।
এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। আরব দেশগুলোর প্রত্যাখ্যান ইসরায়েলের পরিকল্পনাকে আরও বাধাগ্রস্ত করবে, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য অপরিহার্য।



