ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউএস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনারের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন করেছেন। জেলেনস্কি বলেছেন, তারা রাশিয়ার সাথে একটি সম্ভাব্য চুক্তি কীভাবে নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং তিনি ইউএসের সাথে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা মিয়ামিতে এই আলোচনায় যোগ দিয়েছেন, যেখানে তারা রাশিয়ার সাথে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছেন। রাশিয়া এখনও কোনো সুবিধা দেয়নি এবং ইউক্রেনে বোমাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।
জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন ইউএসের সাথে ভালো বিশ্বাসে কাজ করে যাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেছেন, তারা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং রক্তপাত বন্ধ করতে এবং রাশিয়ার আক্রমণ রোধ করতে কীভাবে কাজ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
রাশিয়া ইউক্রেনে আবারও বোমাবাজি চালিয়েছে, যার ফলে ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা তাদের নিন্দা জানিয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, তিনি জেলেনস্কির সাথে কথা বলেছেন এবং তাকে সমর্থন জানিয়েছেন।
ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ফ্রান্স সকল অংশীদারদের সাথে কাজ করে উত্তেজনা কমাতে এবং যুদ্ধবিরতি জারি করতে চায়। আগের দিনে, ম্যাক্রোঁ নিশ্চিত করেছেন যে তিনি লন্ডনে জেলেনস্কি, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার এবং জার্মান চ্যান্সেলর মের্জের সাথে আলোচনা করবেন।
এই আলোচনায় ইউএস এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে আলোচনা করা হবে, যার লক্ষ্য ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। দুই সপ্তাহ আগে, এই নেতারা ভার্চুয়ালি মিটিং করেছেন ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ নিয়ে আলোচনা করতে।
স্টারমার বলেছেন, ইউক্রেনকে তার ভবিষ্যত নিজেই নির্ধারণ করতে হবে এবং শান্তিরক্ষী বাহিনী ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ইউক্রেনের সংঘাত চলমান থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন। ইউএস, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশ ইউক্রেনের পক্ষে রয়েছে এবং রাশিয়ার সাথে শান্তি আলোচনার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাশিয়া এখনও তার অবস্থান পরিবর্তন করেনি এবং ইউক্রেনে তার সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
ইউক্রেনের সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করতে হবে এবং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় আসতে রাজি করাতে হবে। ইউক্রেনের জনগণ শান্তি ও নিরাপত্তা চায় এবং তাদের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করতে হবে।
ইউক্রেনের সংঘাত একটি জটিল সমস্যা এবং এর সমাধান খুঁজে বের করা সময় লাগবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করতে হবে এবং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় আসতে রাজি করাতে হবে। ইউক্রেনের জনগণ শান্তি ও নিরাপত্তা চায় এবং তাদের স্ব



