বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে সংগঠনটির নেতারা মন্তব্য করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অপপ্রচারের মাধ্যমে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি চক্রান্ত।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে কমিটির সহ-সভাপতি মো. তুহিন রানা বলেছেন, কমিটি গঠনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তুহিন রানা আরও বলেছেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্ররোচনায় এই মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওই শিক্ষার্থী অপপ্রচারের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন, সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সজিব গাজীসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন, ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল ও পদ পেতে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রদলের নেতারা ইমরানকে তাঁর অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনাটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি চক্রান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছাত্রদলের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ঘটনাটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি চক্রান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছাত্রদলের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ঘটনাটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি চক্রান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছাত্রদলের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন হল, এই ঘটনাটি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি চক্রান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে কিনা? ছাত্রদলের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিনা?



