গাজা যুদ্ধের শুরু থেকে দুই বছর ধরে বেথলেহেমে সমস্ত পাবলিক ক্রিসমাস উদযাপন বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর, পবিত্র শহরটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই বছর উদযাপনগুলি ঐতিহ্যবাহী বিশাল ক্রিসমাস ট্রি প্রজ্বলনের মাধ্যমে ফিরে আসবে।
বেথলেহেমের মেয়র মাহের কানাওয়াতি বলেছেন, গত দুই বছর ধরে শহরটি নীরবতা এবং বেকারত্বের মধ্যে ছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে উদযাপন পুনরায় শুরু করার ধারণাটি বিতর্কিত ছিল, কারণ গাজায় দুঃখকষ্ট অব্যাহত রয়েছে।
বেথলেহেমের স্থানীয় বাসিন্দারা, খ্রিস্টান এবং মুসলমান, ঐতিহ্যবাহী ক্রিসমাস ট্রির সামনে ছবি তোলে। শহরের রাস্তাগুলি রঙিন আলোতে সজ্জিত এবং ক্রিসমাস বাজার এবং শিশুদের পার্টির বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় আবকাশ ডিজাইনার নাদিয়া হাজবুন বলেছেন, তারা খুবই খুশি যে ক্রিসমাস ট্রি ফিরে এসেছে এবং বিদেশী পর্যটকরা বেথলেহেমে আসছেন। তিনি আশা করেন যে এই বছর শান্তিপূর্ণ ক্রিসমাস সারা বিশ্বের জন্য একটি সুন্দর বার্তা নিয়ে আসবে।
পার্শ্ববর্তী শহর বেইত জালা এবং বেইত সাহুরও আগামী দিনগুলিতে ক্রিসমাস ট্রি প্রজ্বলনের পরিকল্পনা করছে। গত দুই বছর ধরে প্রায় খালি হয়ে থাকা হোটেলগুলিতে ফিলিস্তিনি নাগরিক এবং কিছু বিদেশী পর্যটকদের বুকিং হচ্ছে।
বেথলেহেমের ক্রিসমাস উদযাপন এই অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি শান্তি এবং সহযোগিতার একটি প্রতীক। এই উদযাপন সারা বিশ্বের মানুষের কাছে একটি আশার বার্তা নিয়ে আসে।
বেথলেহেমের ক্রিসমাস ট্রি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা করছেন যে এই উদযাপন সারা বিশ্বের জন্য শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে। তারা বিশ্বাস করেন যে ক্রিসমাসের প্রকৃত আত্মা হল ভালবাসা, সহানুভূতি এবং সহযোগিতা।
বেথলেহেমের ক্রিসমাস উদযাপন একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান যা সারা বিশ্বের মানুষকে একত্রিত করে। এটি একটি সময় যখন মানুষ তাদের পার্থক্য ভুলে যায় এবং শান্তি ও সহযোগিতার জন্য একসাথে আসে।
বেথলেহেমের ক্রিসমাস ট্রি প্রজ্বলন অনুষ্ঠান একটি সুন্দর উপলক্ষ যা সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আশা এবং আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। এটি একটি সময় যখন মানুষ তাদের প্রেম এবং সহানুভূতি প্রকাশ করে এবং সারা বিশ্বের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে।



