গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে শেখ হাসিনা তাদের আসন অফার করেছিল, টাকা অফার করেছিল। কিন্তু তারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপোষ করেনি। দু’চারটা সিটের জন্য জোট করবে না। যদি দেশের প্রয়োজনে জোট করে, তাহলে ন্যায্যতার বিচারে সম্মানজনক আসন সমঝোতা ভিত্তিতেই জোট হবে।
শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে দলীয় প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দিতে স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদ এ জনসভার আয়োজন করে।
নূর বলেন, ফ্যাসিবাদের কবল থেকে এদেশকে মুক্ত করেছে কৃষক শ্রমিক ঐক্য জনতা। আগামীতে কারা ক্ষমতায় আসবে তা নির্ধারণ করবে এ দেশের সাধারণ মানুষ ও ছাত্র জনতা। এ দেশের জনসাধারণ দীর্ঘ ১৬ বছর পর রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার ফিরে পেয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারী মাসে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে আগাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম সম্পন্ন করছে। চলতি মাসের ১১ তারিখ তফসিল ঘোষণা করার কথা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের লড়াকু ও আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ থাকায় যদি কোনো প্রেক্ষাপট তৈরি হয় নির্বাচন পেছনোর-সেটি হয়তো নির্বাচন কমিশন এবং সরকার বিবেচনা করবে। অন্যথায় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হোক আর এপ্রিলে হোক-নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। আর দেশের প্রয়োজনে কোনো জোট করি, তাহলে যেসব জায়গায় জনসমর্থন আছে, সেই সমস্ত আসনকে নিশ্চিত করেই আমাদের জোট হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা পুরনো ফ্যাসিস্টদের মতোই হুমকি-ধামকি ও আধিপত্য বিস্তারের অপরাজনীতি দেশব্যাপী কায়েম করতে চায়। ১৬ বছরের অপশাসন মুহূর্তের মধ্যেই চুরমার হয়ে গেছে। জনগণের প্রতিবাদে নেতারা সীমান্ত দিয়ে, হেলিকপ্টার দিয়ে, নদী-নালা ও খাল-বিল দিয়ে যে যেভাবে পেরেছে পালিয়ে গেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলেম-ওলামাদের তীর্থভূমিতে কিভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের কারাগারে রাখা হয়েছে। কেউ জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তাদের পরিণতিও তাই হবে। গণঅভ্যুত্থানের অংশীজন সকল রাজনৈতিক দলকে সংযত এবং সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানাই।
নবীনগর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, গণঅধিকার পরিষদ দেশের সাধারণ মানুষ ও ছাত্র জনতার সাথে একাত্ম হয়ে দেশের ভবিষ্যত গঠনে কাজ করছে। তারা দেশের জনগণের সাথে সংযুক্ত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘ ১৬ বছর পর রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার ফিরে পেয়েছে। এখন দেশের জনগণ তাদের অধিকার



