বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য একটি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এই ক্যাম্পে ব্যাটসম্যানদের নির্দিষ্ট কিছু ঘাটতি পূরণ করতে চান কোচরা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কঠিন চাপ মোকাবেলা, গতিময় ডেলিভারি মোকাবেলা, ডট বলের সংখ্যা কমানোর মতো ব্যাপারগুলো নিয়ে চলছে জোরদার অনুশীলন।
তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, সাইফ হাসান ও নুরুল হাসান সোহান আলাদা সেশনে ব্যাট করেছেন।
জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ সালাউদ্দিন ও ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল দুজনেই পালা করে তাদের প্রতিটি শট, ফুটওয়ার্ক মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।
ব্যাটসম্যানদের জন্য বোলিং মেশিনে বলের গতি রাখা হয়েছিল প্রতি ঘণ্টা ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে।
গতিময় ডেলিভারিতে ব্যাটসম্যানদের আসল চ্যালেঞ্জ দেখার চেষ্টা করেছেন সিমন্স।
তানজিদ যখন ব্যাকফুটে গিয়ে পুল বা ফ্লিক করছেন, তখন কোচরা দেখছেন ‘ওয়েট ট্রান্সফার’ ঠিক হচ্ছে কিনা।
পারভেজের ড্রাইভের ক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে, শট খেলার পর তিনি ভারসাম্য কতটা ধরে রাখতে পারছেন।
ঝুঁকি কমিয়ে কীভাবে নিয়মিত বাউন্ডারি ও সিঙ্গেলস আদায় করা শেখানো যায়, সেদিকেই সালাউদ্দিনদের মূল মনোযোগ।
একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের ম্যাচের পরিস্থিতি নিজ থেকে বুঝতে পারার মতো মানসিক দিক নিয়েও কাজ করছেন তার।
কোচ সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটারদের দক্ষতার ঘাটতি আছে। সে নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা তেমন কোনো সময় পাই না।’
‘আমরা ভালো ব্যাটিং করি কিন্তু হয়তো শটগুলো ফিল্ডারের হাতে চলে যায়। তাই কীভাবে ফাঁকা জায়গায় বল পাঠানো যায়, কীভাবে সঠিক শট নির্বাচন করতে হয়… শট ফিল্ডারের গা ঘেঁষে না পাঠিয়ে গ্যাপ খুঁজে বের করার কৌশল শেখানো হচ্ছে।’
শনিবার শুরু হওয়া এই ক্যাম্প চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
দুপুরে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে ‘গ্রানাইড স্ল্যাব’ বসিয়ে চলেছে ঘন্টা তিনেকের সেশন।
এই ক্যাম্পে ব্যাটসম্যানদের নির্দিষ্ট কিছু ঘাটতি পূরণ করতে চান কোচরা।
ব্যাটসম্যানদের জন্য বোলিং মেশিনে বলের গতি রাখা হয়েছিল প্রতি ঘণ্টা ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে।
গতিময় ডেলিভারিতে ব্যাটসম্যানদের আসল চ্যালেঞ্জ দেখার চেষ্টা করেছেন সিমন্স।
তানজিদ যখন ব্যাকফুটে গিয়ে পুল বা ফ্লিক করছেন, তখন কোচরা দেখছেন ‘ওয়েট ট্রান্সফার’ ঠিক হচ্ছে কিনা।
পারভেজের ড্রাইভের ক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে, শট খেলার পর তিনি ভারসাম্য কতটা ধরে রাখতে পারছেন।
ঝুঁকি কমিয়ে কীভাবে নিয়মিত বাউন্ডারি ও সিঙ্গেলস আদায় করা শেখানো যায়, সেদিকেই সালাউদ্দিনদের মূল মনোযোগ।
একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের ম্যাচের পরিস্থিতি নিজ থেকে বুঝতে পারার মতো মানসিক দিক নিয়েও কাজ করছেন তার।
কোচ সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটারদের দক্ষতার ঘাটতি আছে। সে নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা তেমন কোনো সময় পাই না।’
‘আমরা ভালো ব্যাটিং করি কিন্তু হয়তো শটগুলো ফিল্ডারের হাতে চলে যায়। তাই কীভাবে ফাঁকা জায়গায



