সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে কয়েদিরা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী এবং জেল হাজতে থাকা কয়েদিরা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন। তারা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।
বিদেশ থেকে ভোট দানের জন্য পোস্টাল ভোট বিডিতে ঠিকানা সংশোধনের শেষ সময় আজ ৬ ডিসেম্বর। নিবন্ধনের সময় ভুল ঠিকানা দিয়ে থাকলে ভোটারের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বা প্রয়োজনে কর্মস্থল বা পরিচিতজনের ঠিকানা যথানিয়মে প্রদান করে আজকের মধ্যে সংশোধন করা যাবে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বিভিন্ন জেলখানার কয়েদিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির



