আগারগাঁওয়ের একটি টিনশেড বাড়িতে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৭ জন একই পরিবারের।
এই ঘটনাটি আজ সকালে পাকা মার্কেট রোডের একটি সরকারি কোয়ার্টারে ঘটে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সা নিচ্ছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ আব্দুল জলিল মিয়া, তার স্ত্রী আরনিজা বেগম, তাদের ছেলে আসিফ ও সাকিব, আসিফের স্ত্রী মনিরা এবং তাদের দুই নাতনি ইভা ও ইশা। এছাড়াও তাদের প্রতিবেশী ফিরোজুল আলম আহত হয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের রেসিডেন্ট সার্জন ডাঃ হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ফিরোজুল আলমের শরীরের ২১ শতাংশ, জলিলের শরীরের ১২ শতাংশ এবং আরনিজার শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। অন্যরা হাত ও পায়ে পুড়েছেন।
জলিল, আরনিজা ও ফিরোজুল আলমকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিত্সা পাচ্ছেন এবং তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
জলিলের জামাতা আরফান মিয়া জানিয়েছেন, সকালে আরনিজা রান্না করতে গিয়েছিলেন। ম্যাচ জ্বালানোর সাথে সাথে বিস্ফোরণ হয়েছে। তিনি ও তার স্ত্রী জনিভা আকতার পাশের ঘরে ছিলেন। আসিফের স্ত্রী মনিরা আট মাসের গর্ভবতী।
প্রতিবেশীরা তাদের সাহায্য করেছেন এবং তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। আরফান মিয়া জানিয়েছেন, গ্যাস লিকেজের কারণে এই বিস্ফোরণ হয়েছে।
আসিফ জানিয়েছেন, তারা সরকারি কোয়ার্টারে ভাড়াটে হিসেবে থাকেন। এক এবং আড়াই মাস ধরে তারা গ্যাসের গন্ধ পাচ্ছিলেন।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এই ঘটনায় আহতদের চিকিত্সা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনায় আহতদের পরিবারের সদস্যরা অধৈর্য হয়ে উঠেছেন। তারা ন্যায়বিচার চাইছেন।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত। তারা নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনায় আহতদের চিকিত্সা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত। তারা নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনায় আহতদের চিকিত্সা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত। তারা নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনায় আহতদের চিকিত্সা চলছে। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত। তারা নিরাপত



