ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবার খেলে ফেলল প্রায় ১৬৪ ওভার! চতুর্থ ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করা সফরকারীরা বাঁচিয়ে নিল ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট। অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরিতে এতে সবচেয়ে বড় অবদান জাস্টিন গ্রিভসের।
পঞ্চম ও শেষ দিনে কেবল দুটি উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটি নতুন বল নিয়েও সফরকারীদের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। ৫৩১ রান তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ উইকেটে ৪৫৭ রান করলে প্রথম টেস্টে ড্র মেনে নেন দুই অধিনায়ক।
দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিংই করতে পারেননি পেসার ন্যাথান স্মিথ। চতুর্থ দিন বোলিং করতে পারেননি ম্যাট হেনরি। তাদের অনুপস্থিতি প্রবলভাবেই অনুভব করেছেন স্বাগতিক অধিনায়ক টম ল্যাথাম।
তাতে অবশ্য গ্রিভস ও রোচদের কৃতিত্ব একটুও কমছে না। টেস্টের পঞ্চম দিন লোয়ার অর্ডার একজন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে ৬৮.১ ওভার কাটিয়ে দেওয়া কোনো সহজ কাজ নয়।
একটা সময় জয়ের জন্য চেষ্টা করার সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন গ্রিভস ও রোচ। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে সময় কাটিয়ে দেওয়ার দিকেই মনোযোগী ছিলেন তারা। সেই পথ ধরেই এগিয়ে গিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পান গ্রিভস। টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি করা সপ্তম ব্যাটসম্যান এবং চতুর্থ ক্যারিবিয়ান তিনি।
৩৮৮ বলে ১৯ চারে ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন গ্রিভস। তার সঙ্গে ১৮০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রোচের অবদান আট চারে ২৩৩ বলে ৫৮ রান। তাদের নৈপুণ্যে অভাবনীয় এক ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
হ্যাগলি ওভালে শনিবার ৪ উইকেটে ২১২ রান নিয়ে পঞ্চম দিন শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ঘণ্টা নিরাপদেই কাটিয়ে দেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান হোপ ও গ্রিভস। এরপরই ঘটে ছন্দপতন। জ্যাকব ডাফির শর্ট বলে কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন হোপ। ভাঙে ৩৮৪ বল স্থায়ী ১৯৬ রানের জুটি।
আগের দিন তিন অঙ্কে পৌঁছে যাওয়া হোপ ২৩৪ বলে দুই ছক্কা ও ১৫ চারে করেন ১৪০ রান।
পরের উইকেট মেলে দ্রুতই। জ্যাক ফোকসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান টেভিন ইমলাক। ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে সেটাই হয়ে থাকে স্বাগতিকদের শেষ সাফল্য।
অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেটে অভিজ্ঞ রোচের সঙ্গে ৪১০ বল কাটিয়ে দেন গ্রিভস। ২২৯ বলে স্পর্শ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। রোচের সঙ্গে ধীরে ধীরে জমে ওঠে তার জুটি। সে



