আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে অন্তত এক মাস ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় সেনা ও বিশেষায়িত বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি।
এই দাবি জানানো হয়েছে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায়। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে যৌথভাবে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি।
মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নির্বাচন নিয়ে সংখ্যালঘুদের অতীত অভিজ্ঞতা অত্যন্ত বেদনার, একই সঙ্গে উদ্বেগ ও শঙ্কার।
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি আরও বলেছে, সব নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। সম্প্রদায়গত ঘৃণা বিদ্বেষ প্রচারণার হাতিয়ার হয়ে রক্তাক্ত অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
সংগঠন দুটি আরও বলেছে, নির্বাচনে পরাজিত দল হামলা ও নির্যাতন করে, কিন্তু দেখা গেছে বিজয়ী দলও হামলা করে। আর নির্বাচনে হামলার মুখ্য শিকার হয় প্রধানত ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা।
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলেছে।
সংগঠন দুটি ৯টি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় যুগোপযোগী সংস্কারসহ বাহাত্তরের সংবিধান হবে আগামী দিনে রাজনীতির মূল ভিত্তি, রাজনীতি ও সব নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।
এছাড়াও ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে বলেছে সংগঠন দুটি।
বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির এই দাবি নির্বাচনের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলেছে সংগঠন দুটি।
নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলেছে সংগঠন দুটি।
নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলেছে সংগঠন দুটি।
নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলেছে সংগঠন দুটি।
নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি চ্যালেঞ্জ হ



