যশোর মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের প্রথম জেলা হিসেবে পাক হানাদার মুক্ত হয় যশোর। এই ঐতিহাসিক দিনটি যশোরে সরকারি ও বেসরকারি নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপন করা হচ্ছে।
দিনটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় যশোর টাউন হল মাঠের স্বাধীনতা উন্মুক্ত মঞ্চের সামনে বেলুন ও কবুতর ওড়ানো হয়। এই অনুষ্ঠানে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন।
শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার টাউন হল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যশোরের সাবেক কমান্ডার মযহারুল ইসলাম মন্টু, নারী মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দিনটি উপলক্ষে একই মাঠে বিকেল চারটায় যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। এই অনুষ্ঠানে শহরের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরে বিভিন্ন ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানগুলো শহরের মানুষকে একত্রিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের মানুষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এই কর্মসূচিগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের মানুষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এই কর্মসূচিগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানগুলো শহরের মানুষকে একত্রিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের মানুষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এই কর্মসূচিগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং তাদেরকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেবে।
যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের মানুষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এই কর্মসূচিগুলো শহরের মানুষকে আনন্দিত করবে এবং ত



