মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে দুই কিশোরের বীরত্বগাথা স্মরণীয়। ১৯৭১ সালের ৮ অক্টোবর বিনোদপুর যুদ্ধে শ্রীপুরের কিশোর মুক্তিযোদ্ধা মো. জহুরুল আলম (মুকুল) এবং ১৬ অক্টোবর জয়রামপুরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মহম্মদপুরের সাহসী যোদ্ধা আবীর হোসেন শহীদ হন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরা জেলায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়েছিল। এর মধ্যে মহম্মদপুরের বিনোদপুর ও জয়রামপুরের দুই যুদ্ধের কথা বিশেষভাবে স্মরণীয়।
বিনোদপুর যুদ্ধের সময় শ্রীপুর বাহিনীর একজন কমান্ডার হিসেবে বদরুল আলম অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, বিনোদপুর হাইস্কুলে তখন রাজাকারদের একটি ক্যাম্প ছিল। যেখানে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হতো।
শ্রীপুর বাহিনীর অধিনায়ক আকবর হোসেন মিয়ার নির্দেশে বিনোদপুর রাজাকার ক্যাম্পে আক্রমণের পরিকল্পনা হয়। বদরুল আলম বলেন, ‘আক্রমণের এক দিন আগে আমরা শ্রীপুর থেকে হেঁটে বিনোদপুরের পাশে বাবুখালী ইউনিয়নের একটি গ্রামে আশ্রয় নিই। কিন্তু সে খবর রাজাকারদের কাছে পৌঁছে যায়। তারা সতর্ক হয়ে যায়।
বিনোদপুর যুদ্ধের ঠিক আট দিন পর ১৬ অক্টোবর জয়রামপুরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মহম্মদপুরের সাহসী যোদ্ধা আবীর হোসেন শহীদ হন। এই দুই যুদ্ধে দুই কিশোরের আত্মদান মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরা জেলার মানুষ পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল। এই যুদ্ধে অনেক মানুষ শহীদ হয়েছিল। মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি অংশ।
মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্য আমাদের ঐতিহাসিক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসের একটি অংশ।
মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের এই ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরা জেলার মানুষ অনেক কষ্ট ও বিপদের মধ্যে দিয়ে যায়। কিন্তু তারা হার মানেনি। তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।
মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসের একটি অংশ। আমাদের এই ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরা জেলার মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছিল। তারা তাদের জীবন, সম্পদ, পরিবার সব কিছু ত্যাগ করেছিল। কিন্তু তারা হার মানেনি।
মাগুরা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের এই ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা হস্তান্তর করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মাগুরা জেলার মানুষ প



