মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কয়েকজন যুবক ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়েছেন। তারা লিবিয়া থেকে রওনা দিয়েছিলেন। এক মাস নিখোঁজ থাকার পর বৃহস্পতিবার খবর আসে, ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ ট্রলারটি ডুবে গেছে।
নিখোঁজদের মধ্যে একজন নিশাত মাতুব্বর। তিনি বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাবিনা বেগম ও আব্দুল লতিফ মাতুব্বর দম্পতির একমাত্র সন্তান। নিশাতের স্ত্রী মেহেনাজ বলেছেন, লিবিয়া যাওয়ার পর মোবাইল নিয়ে যায় দালাল। এরপর ১০ নভেম্বর ট্রলারে ওঠার পর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।
নিখোঁজদের মধ্যে নিশাত ছাড়াও রয়েছেন ফারহান খান রোমান, মুন্সীকান্দি এলাকার মুন্না এবং শিবচর পৌর এলাকার আরও দুই যুবক। স্থানীয়রা জানান, কুদ্দুস নামের এক দালালের মাধ্যমে তারা লিবিয়া গিয়েছিলেন। নিশাত প্রথমে সৌদি আরব যান, ওমরাহ শেষে কুয়েত ও মিসর ঘুরে লিবিয়ায় পৌঁছান।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, পূর্বেও লিবিয়ায় আটকে রেখে তিন যুবককে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। তবে এই নিখোঁজদের বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিশাতের মা বলেছেন, দালাল আরও ১০ লাখ টাকা চাইছে। আমরা সব টাকা অগ্রিম দিয়েছি। এখন ট্রলার ডুবে গেছে বলে জানানো হয়েছে, বেশির ভাগ নিখোঁজ। আমরা জানি না নিশাত বেঁচে আছেন কি না।
শুক্রবার বিকেলে নিশাতের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারি দেখা গেছে। ছয় মাসের সন্তান কোলে নিয়ে স্ত্রীর মেহেনাজ নির্বাকভাবে বসেছিলেন। নিখোঁজ নিশাত হলেন বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাবিনা বেগম ও আব্দুল লতিফ মাতুব্বর দম্পতির একমাত্র সন্তান।
নিশাতের স্ত্রী মেহেনাজ বলেছেন, আমরা নিশাতের কোনো খোঁজ পাইনি। আমরা জানি না নিশাত বেঁচে আছেন কি না। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় স্থানীয়রা আহাজারি প্রকাশ করেছেন। তারা নিশাতের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। তারা নিশাতের স্বজনদের সাহায্য করার জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
নিশাতের স্বজনরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার চাইছেন। তারা নিশাতের মরদেহ ফেরত পাওয়ার জন্য আশাবাদী। এই ঘটনায় স্থানীয়রা নিশাতের স্বজনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নিশাতের স্বজনদের সাহায্য করার জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এই ঘটনায় স্থানীয়রা আহাজারি প্রকাশ করেছেন। তারা নিশাতের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় নিশাতের স্বজনরা ক্ষুব্ধ। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার চাইছেন। তারা নিশাতের মরদেহ ফেরত পাওয়ার জন্য আশাবাদী। এই ঘটনায় স্থানীয়রা নিশাতের স্বজনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এই ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নিশাতের স্বজনদের সাহায্য করার জন্য প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে



