চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমানসহ দুজন পুলিশ সদস্যকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে আট হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। মাদক পাচারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মিলে মাদক পাচারের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। রেলওয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্তে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার এসআই মিজানুর রহমানের সঙ্গে ওসি শহিদুলের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
মাদক বিক্রির টাকায় চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে একটি পাঁচতলা বাড়ি করেছেন বলে অভিযোগ ওসি শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় বাড়ি, জমিসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ওসি শহিদুল ইসলামের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তাঁকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে।
মাদক বিক্রির টাকায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ডুপ্লেক্স বাড়ি ও কক্সবাজারের চার কোটি টাকা খরচ করে আবাসিক হোটেল করেছেন বলে অভিযোগ চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার এসআই মো. দস্তগির হোসেনের বিরুদ্ধে। মাদক নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার আরেক এসআই আরব আলীর বিরুদ্ধেও।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর স্টেশনে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেন থেকে আসাদুজ্জামান (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেন আরব আলী। তাঁর কাছ থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হলেও আদালতে জমা দেওয়ার সময় সেই সংখ্যা হয়ে যায় ১ হাজার ২০০। বাকি ইয়াবা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আরব আলীর বিরুদ্ধে।
মো. জিল্লুর রহমান, রেলওয়ে পুলিশের প্রধান বলেন, মাদকের সঙ্গে যে পুলিশ সদস্যের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



