চলতি বছরের ২১ নভেম্বর পর্যন্ত মোট তিন হাজার ১৫৫ জন ভারতীয় নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তথ্য জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। তিনি লোকসভায় এক প্রশ্নের জবাবে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ যে কাউকে ফেরত পাঠানোর আগে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব স্পষ্টভাবে যাচাই করে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত চার ধরনের ক্ষেত্রে লোকজনকে ফেরত পাঠায়— অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলে, ভিসার মেয়াদ পার হয়ে গেলে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান করলে এবং অপরাধমূলক দণ্ড থাকলে। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে ভারত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে।
২০২৫ সালে একটি নতুন মিশন খোলা হয়েছে ইকুয়েডরে। চারটি নতুন কনস্যুলেট খোলা হয়েছে: বোস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, কাজান এবং ইয়েকাতেরিনবার্গ। সরকার জানিয়েছে, ভারতের বৈদেশিক নীতি হলো বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উপস্থিতি বাড়ানো, কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধি করা।
কুয়েতে বর্তমানে ৩১৬ জন ভারতীয় কারাবন্দি রয়েছেন। ভারত সরকার এসব বিষয়ে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো ভারতীয় নাগরিকদের সংখ্যা বাড়ছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ভারত সরকারকে সচেতন করে তোলে। ভারত সরকার এসব বিষয়ে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো ভারতীয় নাগরিকদের সংখ্যা বাড়ছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ভারত সরকারকে সচেতন করে তোলে।
ভারত সরকার এসব বিষয়ে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো ভারতীয় নাগরিকদের সংখ্যা বাড়ছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ভারত সরকারকে সচেতন করে তোলে।



