শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের পর দেশটির সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি বড় ধরনের ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই প্যাকেজের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ এলাকায় জমি কিনে এবং সেখানে নতুন ঘর নির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি রুপি পর্যন্ত দেওয়া হবে।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের পর পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৬০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ২১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে এবং এই নিখোঁজ ব্যক্তিরা মারা গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে দেশটির ‘সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সমগ্র দেশে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এই মানুষরা, দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।
শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা এই দুর্যোগে মারা গেছে অথবা স্থায়ীভাবে বিকলাঙ্গ বা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়া প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে সরকার ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৭১ হাজারেরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কার অতিরিক্ত ২০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার অনুরোধে তারা সাড়া দেবে কি-না, সে ব্যাপারে বিবেচনা করছে। এর বাইরে চলতি মাসে আগেই শ্রীলঙ্কার ৩৪৭ মিলিয়ন ডলার সহায়তা পাওয়ার কথা ছিল।
ওয়াশিংটনভিত্তিক এই ঋণদাতা সংস্থা শুক্রবার রাতে বলেছে, ‘এই কঠিন সময়ে, শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইএমএফ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং দেশটির পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এমন এক সময় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া শ্রীলঙ্কায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়, যখন দেশটি ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে আইএমএফের ৪ বছরের ২.৯ বিলিয়ন ডলারের বেইলআউট চুক্তির পর অর্থনীতি কিছুটা পুনরুদ্ধার হচ্ছিল।
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতির জন্য দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের পর পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশটির অর্থনীতি ও অবকাঠামোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে। আইএমএফ দেশটিকে ৩৪৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল। এছাড়াও, অন্যান্য দেশও শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের পর পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশ



