বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে শিলিগুড়ি সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৭১ সালের ৫ ও ৬ জুলাই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত শহর শিলিগুড়িতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক কৌশল পরিচালনা করা।
শিলিগুড়ি সম্মেলনে প্রায় ৪০০ জন অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের বেশিরভাগই ছিলেন ১৯৭০ সালে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। এই সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব এবং কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকের মনে ক্ষোভ এবং দ্বিধা ছিল। তবে প্রত্যেকেই জানতেন যে এই সভায় যদি ঐক্য প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য বিপন্ন হবে।
শিলিগুড়ি সম্মেলনের আয়োজন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে করা হয়। সম্মেলন আয়োজনের মূল দায়িত্ব পায় শিলিগুড়িতে অবস্থিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩৩ কোর সদর দপ্তর। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ।
শিলিগুড়ি সম্মেলনের ফলে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা মুক্তিযুদ্ধের সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। এই সম্মেলন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শিলিগুড়ি সম্মেলনের পর মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব আরও সংগঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক কৌশল পরিচালনা করা হয়। এই সম্মেলনের ফলে মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে শিলিগুড়ি সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শিলিগুড়ি সম্মেলনের তাৎপর্য অনেক। এই সম্মেলনের ফলে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ঐক্যবদ্ধ হয়। মুক্তিযুদ্ধের সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়। এই সম্মেলন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।



