রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। বিভাগের কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী এই অভিযোগ তুলেছেন। তারা বলছেন, বিভাগের সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম, প্রভাব খাটানো, রাজনৈতিক পরিচয় ও ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে অভিযোগকারীরা তাদের অভিযোগ উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম, সুষ্ঠু নিয়োগনীতি ও অ্যাকাডেমিক পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
অভিযোগকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তারা চান, এ সংক্রান্ত অভিযোগের দ্রুত, স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক। তারা আরও চান, তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব নিয়োগ ও সুপারিশ স্থগিত রাখা হোক।
এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে অভিযোগকারীরা বলছেন, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন।
এই ঘটনায় সাবেক শিক্ষার্থী ড. নুরুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী প্রার্থীদের বাদ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে ৮ পদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রশ্ন ওঠে—এটা কি স্বজনপ্রীতি, নাকি প্রশ্নফাঁস?
অন্যদিকে, সাবেক শিক্ষার্থী ড. মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেগুলো যদি সত্যি হয়—তাহলে এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা।
এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অভিযোগকারীদের দাবি মেনে নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত করা উচিত। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষা করা সম্ভব হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম রোধ করা জরুরি। এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিরাপদ থাকবে। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা উচিত। এতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত হবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম রোধ করার জন্য কী করা উচিত? আপনার মতামত আমাদের জানান।



