বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হারিহরপাড়া গ্রামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক হাজার হাজার মানুষ হত্যা করা হয়েছিল। এই গ্রামটি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নে অবস্থিত। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই গ্রামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের নির্যাতন কেন্দ্র স্থাপন করেছিল।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এই গ্রামের বাসিন্দাদের ধরে নিয়ে যায় এবং তাদের নির্যাতন করে। পুরুষদের দিনের বেলায় নির্যাতন করা হতো এবং রাতে অন্ধকারে তাদের হত্যা করা হতো। নারীদের ধর্ষণ করা হতো এবং তারা যদি বাঁচতে চাইতো তাদেরকেও হত্যা করা হতো।
একজন বেঁচে থাকা ব্যক্তি জানিয়েছেন যে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটি রাতও ছিল না যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কোনো মানুষকে হত্যা করেনি। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এই গ্রামের বাসিন্দাদের ধরে নিয়ে যায় এবং তাদের নির্যাতন করে।
হারিহরপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে এসেছিল এবং তাদের নির্যাতন করেছিল। তারা আরও জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হারিহরপাড়া গ্রামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড একটি মর্মান্তিক ঘটনা। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো আজও মানুষের মনে বিষাদ জাগায়। এই ঘটনাগুলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই ঘটনাগুলো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলো আজও বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। এই ঘটনাগুলো কিভাবে ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা এখনও অনেকের কাছে অজানা।



