জার্মানিতে নতুন সামরিক সেবা আইনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। এই আইনে ১৮ বছর বয়সী পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রশ্নাবলি পূরণ করার নিয়ম রাখা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বার্লিনের হ্যালেশেস টর মেট্রো স্টেশনের কাছে জড়ো হয়ে ওরানিয়েনপ্লাটজ পর্যন্ত মিছিল করে। তারা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।
জার্মান সংসদের নিম্নকক্ষ বুন্ডেস্ট্যাগে এই বিলটি ৩২৩ ভোটে পাস হয়। এখন বিলটি চলতি মাসের শেষদিকে অনুমোদনের জন্য জার্মানির উচ্চকক্ষ বুন্ডেসরাটে যাবে।
এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো জার্মান সেনাবাহিনী দীর্ঘদিনের জনবল সংকট মোকাবেলা করা। বর্তমানে দেশটির সক্রিয় সেনা সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার। ন্যাটোর বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে ২০৩৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজারে নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
নতুন ব্যবস্থার আওতায়, ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারির পর জন্ম নেয়া সব পুরুষকে তাদের যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা ও সেনাবাহিনীতে আগ্রহ সংক্রান্ত প্রশ্নপত্র পূরণ করতে হবে এবং বাধ্যতামূলক চিকিৎসা পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে নারীদের জন্য এই অংশগ্রহণ স্বেচ্ছামূলক রাখা হয়েছে।
এই বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে যে তারা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে, কেউ তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নেবে না।
এই বিক্ষোভ জার্মানির রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দেখায় যে জার্মানির শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং তারা তাদের অধিকার রক্ষা করার জন্য সংগ্রাম করছে।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এমন আশা করা যায়। জার্মানির রাজনৈতিক দৃশ্যপট এই ঘটনার পরে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।



