মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বিধিনিষেধের আওতায় ৩০টিরও বেশি দেশকে রাখতে যাচ্ছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোম একটি সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যেই ১২টি দেশের নাগরিকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করেছে। এছাড়াও ৭টি দেশের নাগরিকদের ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ক্রিস্টি নোম বলেছেন, যে দেশগুলোর স্থিতিশীল সরকার নেই, সেখান থেকে আগত ব্যক্তিদের পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই তাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার দেওয়া উচিত নয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর হবে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই জাতীয় রক্ষী সদস্যকে হত্যার ঘটনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো’ থেকে অভিবাসন স্থগিত রাখতে চান। তবে তিনি কোন দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি আরও কঠোর হবে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী আলোচিত হচ্ছে। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে অভিবাসন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও প্রভাব পড়বে। অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বব্যাপী অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক চলছে। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, অন্যদিকে অনেকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্লেষকরা আলোচনা করছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করছে। অনেকে এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতারা মন্তব্য করছেন। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, অন্যদিকে অনেকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বব্যাপী অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন দেশের মানুষ আলোচনা করছেন। অনেকে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, অন্যদিকে অনেকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বব্যাপী অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে



