জামায়াতে ইসলামী আমীর শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্ট চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদ এখনও রয়ে গেছে। তিনি চট্টগ্রাম শহরের লালদিঘি ময়দানে আটটি মতাদর্শী দলের বিভাগীয় সমাবেশে এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল অস্ত্রের শক্তিতে, আর ক্ষমতা ছেড়েছে রক্তমাখা হাতে। তিনি বলেন, তারা এমনকি আমাদের গর্বের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ অফিসার এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদেরও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। তারা রাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানকেও সঠিকভাবে কাজ করতে দেয়নি। তারা বিচার বিভাগকে ধ্বংস করেছে এবং দুর্নীতি বিরোধী কমিশনকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
জামায়াত আমীর বলেছেন, আমরা কোনো নির্দিষ্ট দলের বিজয় চাই না, আমরা আটটি দলের বিজয় চাই না। আমরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ আর জমিদাররা লবণের শেয়ার নিয়ে চলবে না, সাধারণ মানুষ যা পাবে তাতেই সন্তুষ্ট থাকবে না।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর প্রিন্সিপাল মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী এই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
জামায়াতে ইসলামী আমীর শফিকুর রহমানের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে জামায়াতে ইসলামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে আছে। তাদের বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।
জামায়াতে ইসলামী আমীরের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করতে পারে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে। জামায়াতে ইসলামীর ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।



