ভারতের রাজধানী দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে এক ব্যস্ত দিনের শেষে রাষ্ট্রপতি ভবনে এক রাষ্ট্রীয় ভোজের মাধ্যমে রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন তার ভারত সফর শেষ করবেন। এর আগে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বৈঠক, এক ব্যবসায়িক সম্মেলনে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিভি নেটওয়ার্ক ‘রাশিয়া টুডে’ চালু করার ঘোষণা দেন।
রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যে রয়েছেন। দিল্লির পক্ষ থেকে তাকে যে সম্মান দেখানো হয়েছে তা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য এক শক্তিশালী বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।
দিল্লি ও মস্কো এই সফরের ফলে কী পেয়েছে? এই প্রশ্নটি এখন সবার মনে। প্রথমত, ভ্লাদিমির পুতিনকে যে সম্মান দেখানো হয়েছে তা নিয়ে কথা বলা যাক। রুশ সরকারের পক্ষে চলা খুব প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম কমসমলস্কায়া প্রাভদা লিখেছে, ‘এক অত্যন্ত বড় অভ্যর্থনা, কামানের সালাম এবং এক মার্বেল সিংহাসন কক্ষ। এভাবেই ভারতের এক রাজপ্রাসাদে ভ্লাদিমির পুতিনকে সম্মান দেখানো হয়েছে।’
এখন চুক্তি সম্পর্কে কথা বলা যাক। এই সফরে কয়েকটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়া-ভারত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচি, সমালোচনামূলক খনিজ ও সরবরাহ শৃঙ্খল সম্পর্কিত একটি চুক্তি এবং ওষুধ সম্পর্কিত একটি চুক্তি। রাশিয়ার কালুগা অঞ্চলে একটি রুশ-ভারতীয় ওষুধ কারখানা নির্মাণ করা হবে।
এখন সবচেয়ে আলোচিত এবং সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কথা বলা যাক। প্রথমত, তেল। ভারত বড় পরিমাণে রুশ তেল কেনা। এই কেনাকাটা রাশিয়ার নিষিদ্ধ অর্থনীতিকে বড় সমর্থন দিচ্ছে। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খুব অসন্তুষ্ট। তারা অভিযোগ করছে যে ভারত রাশিয়ার যুদ্ধ তহবিলকে সমর্থন করছে। এই কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের প্রতি চাপ সৃষ্টি করছে যাতে তারা রুশ শক্তি কেনা বন্ধ করে দেয়।
শুক্রবার পুতিন জানিয়েছেন যে রাশিয়া ভারতের কাছে অব্যাহত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত।
এই সফরের ফলে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে।
এই সফরের ফলে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সম্পর্কও আরও শক্তিশালী হবে।



