ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ৮ বছরের এক শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার এক ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি দুলাল মিয়া নামের এক ব্যক্তি, যার বয়স ২৯ বছর। তিনি হরিপুর ইউনিয়নের শঙ্করদহ গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, দুলাল মিয়া ২ ডিসেম্বর রাতে ওই শিশুকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি শিশুটিকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান এবং ধর্ষণ করেন। শিশুটি চিৎকার করার চেষ্টা করলে তিনি তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
পরের দিন সকালে স্থানীয়রা শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় এবং পুলিশকে জানায়। এরপর শিশুটির বাবা অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুলাল মিয়ার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়েছে এবং তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।
এই ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। স্থানীয়রা এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য কাজ করছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর একটি প্রশ্নবিদ্ধ চিহ্ন রেখে গেছে। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের মানুষকে একটি বার্তা দিয়েছে যে, এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। সরকার, পুলিশ, এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একসাথে কাজ করতে হবে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন করে তুলবে এবং এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।



