পাকিস্তানে সামরিক-সমর্থিত সরকারের অধীনে নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতার ক্রমবর্ধমান সীমাবদ্ধতা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের ৪০ জনেরও বেশি সদস্য।
পাকিস্তানে ‘সীমান্ত পেরিয়ে দমন-পীড়ন’ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বাড়তি আশঙ্কা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে চিঠি দিয়েছেন দেশটির ৪০ জনেরও বেশি আইনপ্রণেতা। ৩ ডিসেম্বরের চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা বলেন, পাকিস্তান সরকারের সমালোচনার কারণে এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা মার্কিন নাগরিক এবং তাদের পরিবারও হুমকি, ভয় দেখানো ও হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন।
পাকিস্তানে সামরিক-সমর্থিত শাহবাজ শরিফ সরকার ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের অধীনে চলমান সীমান্ত পেরিয়ে দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির সংকট নিয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ জানাচ্ছি। তারা উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে কথা বলায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিক ও অভিবাসীরা হুমকি, ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির মুখে পড়েছেন—যার প্রভাব প্রায়শই পাকিস্তানে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের ওপরও পড়েছে।
জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্যান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস (আইসিসিপিআর)–এর ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের বিবৃতিতে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের এসব কার্যক্রম “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা”–র মতো মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করছে। আইনপ্রণেতারা তাদের উদ্বেগ জানিয়ে আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বেড়েছে। তাই তারা পাকিস্তানের এমন কর্মকর্তাদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন, যারা সীমান্ত পেরিয়ে দমন-পীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দমননীতি চালানোর সঙ্গে জড়িত।
এর মধ্যে থাকতে পারে ভিসা নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দসহ অন্যান্য কার্যক্রম। চিঠিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান এখন ক্রমবর্ধমান স্বৈরতান্ত্রিক সংকটের মুখে, যেখানে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং মৌলিক স্বাধীনতাগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের নির্বাচন, যা নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার পর থেকে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পাকিস্তান সরকারকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মান করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে এবং পাকিস্তান সরকারকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করার জন্য চাপ বাড়ছে।
পাকিস্তানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পাকিস্তান সরকারকে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মান করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে



