জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝাঁকুনি রাইহান অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে একদিনের জন্য এক রঙিন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এখানে প্রায় শতাধিক প্রজাতির প্রজাপতি, বিভিন্ন রঙের ছবি এবং প্রকৃতি প্রেমীদের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মধ্যাহ্নের দিকে মেলার মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুরা প্রজাপতির ডানা দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। একজন শিক্ষার্থী বলেছে, প্রজাপতির রঙ দেখে তার মন ভরে গেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ এই মেলার আয়োজন করেছে। এখানে প্রায় ৩৫ প্রজাতির প্রজাপতি প্রদর্শিত হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে স্ট্রাইপড পিয়েরট, ব্লু টাইগার, পেইন্টেড লেডি প্রভৃতি।
এই মেলায় প্রজাপতির প্রদর্শনী ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার গাছপালা ও ফুলের প্রদর্শনী করা হয়েছে। এখানে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি সংরক্ষণে অবদানের জন্য এই বছর ড. আলী রেজা খানকে প্রজাপতি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষার্থীকে প্রজাপতি যুব উদ্যোক্তা পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এই মেলায় প্রজাপতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রজাপতি আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
প্রজাপতির সংরক্ষণে আমাদের সকলের ভূমিকা রয়েছে। আমরা সকলেই প্রজাপতির বাসস্থান রক্ষা করার জন্য কাজ করতে পারি। আমরা গাছ লাগাতে পারি, পরিবেশ দূষণ কমাতে পারি।
প্রজাপতি সংরক্ষণের জন্য আমাদের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে প্রজাপতির বাসস্থান রক্ষা করতে পারি।
আমরা সকলেই প্রজাপতির সংরক্ষণে অবদান রাখতে পারি। আমরা প্রজাপতির বাসস্থান রক্ষা করার জন্য কাজ করতে পারি। আমরা পরিবেশ দূষণ কমাতে পারি।
প্রজাপতি সংরক্ষণের জন্য আমাদের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে প্রজাপতির বাসস্থান রক্ষা করতে পারি।
আপনি কি প্রজাপতি সংরক্ষণে অবদান রাখতে চান? আপনি কি পরিবেশ দূষণ কমাতে চান? আপনি কি প্রজাপতির বাসস্থান রক্ষা করতে চান?



