গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি মাদ্রাসার এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। এই ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালককে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যে তিনি এই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন। এই ঘটনাটি বুধবার ঘটেছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীরা পরিচালককে আটক করে মারধর করার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে।
পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এখন মাদারীপুরের রাজাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মাদ্রাসার এক শিক্ষক খাদিজা বেগমকেও এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ছাত্রীর মা বলেছেন, পরিচালক তার মেয়েকে ক্লাসের পর তার ঘর পরিষ্কার করতে বলেছিলেন। এরপর তিনি তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ছাত্রী তার মায়ের কাছে এই ঘটনা জানানোর পর আত্মহত্যা করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ছাত্রীর মা মুকসুদপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এবং শিক্ষক খাদিজা বেগমকে পুলিশ আটক করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ছাত্রীর মরদেহ গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সাধারণ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারকে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এবং শিক্ষক খাদিজা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
ছাত্রীর মা বলেছেন, তিনি তার মেয়ের ধর্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি চান। তিনি বলেছেন, তার মেয়ের মৃত্যুর জন্য পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার দায়ী।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এবং শিক্ষক খাদিজা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় সরকারি সূত্র বলেছে, পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এবং শিক্ষক খাদিজা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। পরিচালক মাহমুদুল হাসান শিকদার এবং শিক্ষক খাদিজা বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



