পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরকে ৫ বছরের জন্য দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডকে আরও কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মুনিরকে চিফ অব আর্মি স্টাফ ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস পদে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। এই সুপারিশ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডকে আরও কেন্দ্রীভূত করার জন্য গত মাসে পাকিস্তানের ২৭তম সংশোধনী পাস করা হয়েছে। এই সংশোধনীতে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জারদারি পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আহমাদ বাবর সিধুর মেয়াদও দুই বছর বাড়িয়েছেন। এই মেয়াদ বৃদ্ধি আগামী বছরের ১৯ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।
মুনির চলতি বছর পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ফিল্ড মার্শাল খেতাব পেয়েছেন। এর আগে ১৯৬৫ সালে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া জেনারেল আইয়ুব খানকে ওই খেতাব দেওয়া হয়েছিল।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর এই নতুন কমান্ড কাঠামো দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডকে আরও কেন্দ্রীভূত ও সংগঠিত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন কমান্ড কাঠামো পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়াও, এই পরিবর্তন পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর এই নতুন কমান্ড কাঠামো সম্পর্কে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকদের মতামত বিভিন্ন রকম। কেউ কেউ মনে করছেন যে এই পরিবর্তন পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন যে এই পরিবর্তন পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর এই নতুন কমান্ড কাঠামো সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলোতে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কমান্ডকে আরও কেন্দ্রীভূত ও সংগঠিত করা হয়েছে, যা দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।



