রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতের সফরে এসেছেন। এই সফরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কিনতে পারে, কিন্তু ভারত পারবে না কেন?
পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনার অধিকার রাখলে ভারতের থাকবে না কেন। তিনি এটাও বলেছেন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য চলছে। তেলের বাণিজ্যও চলছে।
রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকেই এই সম্পর্ক শুরু হয়েছে। ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার প্রধান উৎস।
ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরুর পর ভারত রাশিয়ার তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে।
পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতি অন্যায় ও অযৌক্তিক। তিনি আশা করেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম মেনে চলা হবে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই চুক্তিগুলো দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
পুতিনের এই সফর ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পুতিনের এই সফর ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পুতিনের এই সফর ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পুতিনের এই সফর ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পুতিনের এই সফর ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ভবিষ্যতেও শক্তিশালী থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সামরিক খাতে বেশ কয়েকটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা র



