যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী এবং অন্যান্য অভিবাসীদের জন্য কাজের অনুমতির মেয়াদ ৫ বছর থেকে কমিয়ে ১৮ মাস করেছে।
এই পদক্ষেপটি অভিবাসনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যাপক কঠোরতার একটি অংশ। গত নভেম্বর ২৬ তারিখে এক আফগান ব্যক্তি দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস)-এর পরিচালক জোসেফ এডলো এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কর্মসংস্থান বিষয়ে অনুমতির সর্বোচ্চ বৈধতার সময়কাল কমানো নিশ্চিত করবে যে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের জন্য আসা ব্যক্তিরা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে না বা ক্ষতিকর আমেরিকান-বিদ্বেষী মতাদর্শ প্রচার করবে না।’
এই পদক্ষেপটি শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করা অভিবাসী, আশ্রয়প্রাপ্ত অভিবাসী ও যাদের বহিষ্কার স্থগিত করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
গত মঙ্গলবার, ট্রাম্প প্রশাসন ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন আবেদন স্থগিত করেছে। এই সব বিদেশি নাগরিক ইতোমধ্যেই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
যে সব দেশের নাগরিকদের জন্য গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে, সেই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, ইয়েমেন, হাইতি, ভেনেজুয়েলা, সুদান ও সোমালিয়া।
এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। এটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, ওয়ার্ক পারমিট পদক্ষেপটি শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করা অভিবাসী, আশ্রয়প্রাপ্ত অভিবাসী ও যাদের বহিষ্কার স্থগিত করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অভিবাসন নীতির একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছে। এই পদক্ষেপটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, ওয়ার্ক পারমিট পদক্ষেপটি শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করা অভিবাসী, আশ্রয়প্রাপ্ত অভিবাসী ও যাদের বহিষ্কার স্থগিত করা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে,



