চট্টগ্রামে দুই কাস্টমস কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ঘটনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্ভাব্য কারণ খোঁজার চেষ্টা করছে। প্রায় ৪০ কোটি টাকা মূল্যের দুটি চালান জব্দ করার পর এই হামলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের ডবলমুরিং থানার সিডিএ আবাসিক এলাকায় এই হামলা হয়। হামলার শিকার দুই কর্মকর্তা হলেন রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান খান এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. বদরুল আরেফিন ভূঁইয়া। তারা একটি ভাড়া গাড়িতে ছিলেন। তিন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে গাড়িটি থামিয়ে চাপাতি দিয়ে গাড়ির কাচে কোপ দেন। হামলাকারীরা একজন অন্যজনকে বলতে থাকেন, ‘গুলি কর, গুলি কর’। তবে দুই কর্মকর্তা দ্রুত গাড়ি সরিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এর আগে গত মে মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পণ্যের একটি চালান আটক করা হয়েছিল। এছাড়াও মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ প্রসাধনীও জব্দ করা হয়েছে। এসব অভিযানে যুক্ত ছিলেন ওই দুই কর্মকর্তা। এত ক্ষুব্ধ হয়ে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত চক্রের কেউ তাঁদের ওপর হামলা করতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য এসব কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ করা হয়। এর আগে গত মে মাসে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পণ্যের একটি চালান আটক করা হয়েছিল। আবার মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা বিপুল পরিমাণ প্রসাধনীও জব্দ করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্ভাব্য কারণ খোঁজার চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য এসব কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এই ঘটনার পর চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তারা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন। তারা চাইছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। এই ঘটনার তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনার পর চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তারা সতর্ক হয়ে উঠেছেন। তারা চাইছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
এই ঘটনার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্ভাব্য কারণ খোঁজার চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য এসব কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার তদন্ত শেষে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনার পর চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তারা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন। তারা চাইছেন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।



