বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংকট মোকাবেলায় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এক সমাবেশে এই তথ্য জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের সমস্যা সমাধানের জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা প্রদান করেছে। তবে অন্যান্য ব্যাংকগুলোর সমস্যা সমাধানের জন্য আরও ৩৫ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ একসাথে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। এই অর্থ সংগ্রহের জন্য একাধিক অর্থবছর লাগবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জামানতদারদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। গভর্নর মনসুর বলেছেন, জামানতদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে নন-পারফর্মিং লোনের (এনপিএল) পরিমাণ ৩৬ শতাংশ। এই পরিমাণ আগের চেয়ে বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক এনপিএল কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে। গভর্নর মনসুর বলেছেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে এনপিএল ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) সমস্যা সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে। নয়টি এনবিএফআই তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম তাদের সুযোগ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের সংকট মোকাবেলায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করতে সময় লাগবে। তবে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টার ফলে ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর হবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করতে সময় লাগবে। তবে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টার ফলে ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর হবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং খাতের সংকট দূর করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যায়।



