প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে ৪২ জন প্রাথমিক শিক্ষককে ভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়েছে। এই আদেশটি বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে জারি করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে এই বদলির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় আন্দোলনের পাঁচ শীর্ষ নেতার নাম রয়েছে।
এই আদেশে দেখা যায়, সহকারী শিক্ষকদের সবাইকে পাশের জেলায় বদলি করা হয়েছে। এর ফলে তারা আর নিজ জেলায় কর্মরত থাকতে পারবেন না।
এর আগে, অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, নোয়াখালীর মো. শামছুদ্দীন মাসুদকে প্রশাসনিক কারণে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শূন্য পদে নিজ বেতনস্কেলে বদলি করা হয়েছে।
এই বদলির ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে শিক্ষাবিদরা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, এই বদলি প্রাথমিক শিক্ষার মান নামিয়ে দিতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক খায়রুন নাহার লিপি বলেছেন, সারাদেশে ৫০০ থেকে ৫৫০ জন সহকারী শিক্ষককে ভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়েছে। শুধু নোয়াখালী জেলাতেই প্রায় ৪০ জন শিক্ষককে এভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তিন দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা।
এই কর্মবিরতির ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে শিক্ষাবিদরা উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, এই কর্মবিরতি প্রাথমিক শিক্ষার মান নামিয়ে দিতে পারে।
শিক্ষার্থীদের জন্য কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যায় তা নিয়ে আমরা আগ্রহী। আপনি কী বলবেন?



