বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি সেন্টারে গত বছরের অক্টোবর থেকে এই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন হাজার ১৩০ জন এইচআইভি পরীক্ষা করতে এসেছে। এর মধ্যে ২০ জন পজিটিভ হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী।
এইচআইভি আক্রান্তদের বয়স ১৭ থেকে ২৮ বছর। তাদের মধ্যে এইচএসসি থেকে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রয়েছে। অনেকে বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে বরিশালে অবস্থান করছেন।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলেন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কঠোর হতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে এটা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাবে।
এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই সমকামী। তাদের চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ওষুধ দেওয়া হয়েছে। তারা ফলোআপের মধ্যে রয়েছেন।
এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই পরীক্ষার জন্য আসেনি। প্রকৃত সংখ্যা হয়ত আরও বাড়বে।
বরিশালে এইচআইভি আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। এটা একটা উদ্বেগজনক বিষয়। এইচআইভি আক্রান্তদের চিকিৎসা ও সহায়তা প্রদানের জন্য সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।
এইচআইভি আক্রান্তদের সহায়তা প্রদানের জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সমাজে এইচআইভি আক্রান্তদের প্রতি সহানুভূতি ও সহায়তা প্রদানের জন্য আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
এইচআইভি আক্রান্তদের সংখ্যা কমানোর জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমাদের সমাজে এইচআইভি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এইচআইভি আক্রান্তদের সহায়তা প্রদানের জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
আমরা কি এইচআইভি আক্রান্তদের সহায়তা প্রদানের জন্য কিছু করতে পারি? আমরা কি এইচআইভি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারি? আমরা কি এইচআইভি আক্রান্তদের প্রতি সহানুভূতি ও সহায়তা প্রদান করতে পারি?



