মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ক্যারিবিয়ান সাগরে একটি বিতর্কিত দ্বিতীয় মার্কিন সামরিক হামলার সময় ‘সবাইকে মেরে ফেল’ নির্দেশ দেননি বলে বহু আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন।
গত ২রা সেপ্টেম্বর এই দ্বৈত হামলার ঘটনা এবং মার্কিন নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ফ্র্যাঙ্ক ব্র্যাডলির বক্তব্য শোনার পর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা এই মন্তব্য করেছেন।
হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সিনেটের সদস্যদের জন্য ব্রিফিংয়ের আগে এই বক্তব্য করা হয়। সন্দেহভাজন মাদক নৌকার বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের আইনগততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির সিনিয়র ডেমোক্র্যাট সদস্য জিম হাইমস বলেছেন, অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যা দেখেছি তা আমার সরকারি জীবনে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক বিষয়।
হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সিনিয়র ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথ এবং জিম হাইমস একটি যৌথ বিবৃতিতে ভিডিওটি প্রকাশের দাবি জানান।
তারা বলেছেন, ব্রিফিংয়ের পর আমাদের আরও বেশি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান সেনেটর টম কটন বলেছেন, অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলি এবং পিট হেগসেথ ‘ঠিক সেই কাজটি করেছেন যা আমরা তাদের কাছ থেকে আশা করি’।
রিপাবলিকান হাউস প্রতিনিধি রিক ক্রফোর্ডও হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং বলেছেন, তার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে এই হামলা পেশাদার পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়নি।
ডেমোক্র্যাট সেনেটর জ্যাক রিড একটি বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি এই ঘটনায় ‘বিষণ্ন’।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে।
মার্কিন সরকারকে এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে এবং জনগণকে সত্য জানাতে হবে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারের সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা নিয়ে বিশ্ববাসী উদ্বিগ্ন।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারকে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে বিশ্ববাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।



