নেটফ্লিক্সে গুইলের্মো ডেল টোরোর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন সিনেমাটি একটি শক্তিশালী উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে প্রদর্শিত হয়েছে। অস্কার আইজাক এবং জ্যাকব এলোর্ডি অভিনীত এই সিনেমাটি নভেম্বর ৩-৯ সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১.২৬ বিলিয়ন মিনিট দেখা হয়েছে। নেটফ্লিক্সে নভেম্বর ৭ তারিখে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে এটি নিলসেনের স্ট্রিমিং চার্টে সর্বোচ্চ সাপ্তাহিক দর্শক সংখ্যা অর্জন করেছে।
একই সময়ে, ডিজনি+ এ দ্য ফ্যান্ট্যাস্টিক ফোর: ফার্স্ট স্টেপস সিনেমাটি নভেম্বর ৫ তারিখে মুক্তি পায় এবং ৫৫৬ মিলিয়ন মিনিট দেখা হয়। দ্য উইচার সিনেমাটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যা পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেড়ে ৯৪৫ মিলিয়ন মিনিট দেখা হয়েছে। স্ট্রেঞ্জার থিংস সিনেমাটি ৮৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯২১ মিলিয়ন মিনিট দেখা হয়েছে।
পিককের অল হার ফল্ট সিনেমাটি সপ্তাহের সেরা সিরিজ ডেব্যু করেছে, যা ৪৫২ মিলিয়ন মিনিট দেখা হয়েছে। স্কুইড গেম: দ্য চ্যালেঞ্জ সিনেমাটি দ্বিতীয় সিজনের প্রিমিয়ারের পর ৩৯৬ মিলিয়ন মিনিট দেখা হয়েছে। এইচবিওর আইটি: ওয়েলকাম টু ডেরি সিনেমাটি র্যাঙ্কিং থেকে বাদ পড়ে গেছে।
নিলসেনের স্ট্রিমিং রেটিংগুলি শুধুমাত্র টিভি সেটগুলিতে দেখার ক্ষেত্রে কভার করে, কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসগুলিতে দেখার ক্ষেত্রে নয়। রেটিংগুলি শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রোতাদেরকে পরিমাপ করে, অন্যান্য দেশগুলিকে নয়।
নভেম্বর ৩-৯ সপ্তাহের জন্য সেরা স্ট্রিমিং শিরোনামগুলি নিচে দেওয়া হল।
নেটফ্লিক্সে ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের সাফল্য স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে সিনেমার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির একটি উদাহরণ। এটি দেখায় যে সিনেমাগুলি এখনও দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে এবং স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি সিনেমার জন্য একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে সিনেমার বিকাশ চলতে থাকবে এবং আমরা আরও বেশি সিনেমা এবং সিরিজ দেখতে পাব যা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে মুক্তি পাবে। এটি দর্শকদের জন্য একটি ভাল সময়, কারণ তারা এখন বাড়িতে বসেই তাদের পছন্দের সিনেমা এবং সিরিজ দেখতে পারে।
স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলির বিকাশ সিনেমা শিল্পের জন্য একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি সিনেমা নির্মাতাদের তাদের কাজ দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর একটি নতুন উপায় দিয়েছে এবং দর্শকরা এখন বাড়িতে বসেই তাদের পছন্দের সিনেমা দেখতে পারে।
স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি সিনেমা শিল্পের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এটি সিনেমা নির্মাতাদের তাদের কাজ দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর একটি নতুন উপায় দিয়েছে এবং দর্শকরা এখন বাড়িতে বসেই তাদের পছন্দের সিনেমা দেখতে পারে।



