টাঙ্গাইলের মধুপুর বনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিদের বিরুদ্ধে করা ৮৮টি বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মোট ১৩৬টি মামলার মধ্যে অবশিষ্ট ৪৮টি মামলা এক বছর পর শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হবে। মধুপুর অঞ্চলের ৫০৩ জনকে আসামি করে এসব মামলা হয়েছিল। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, মধুপুর বনের চারটি রেঞ্জের ১০টি বনবিটে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হবে। বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে থাকা এসব কমিটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর দুইজন এবং স্থানীয় সহব্যবস্থাপনা কমিটির দুইজন সদস্য থাকবেন।
বন বিভাগকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গো-চারণ, পানি ও ভূমি ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন)-কে আহ্বায়ক করে গঠিত আট সদস্যের কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে।
মোট মামলার মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অভিযুক্ত ৩১৫ জন এবং স্থানীয় বাঙালি অভিযুক্ত ১৮৮ জন। এই সিদ্ধান্তের ফলে মধুপুর অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিদের মধ্যে উত্তেজনা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্ত মধুপুর অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং তারা তাদের জীবনযাপন করতে পারবে।
এই সিদ্ধান্তের পর মধুপুর অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় বাঙালিদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত মধুপুর অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।



