বাংলাদেশে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার অভিযান সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টার্গেট শিশুদের মধ্যে ৯৭ শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
এই অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই সফলতা পাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে গুজব ও টিকা দেওয়ার ধীরগতি থাকলেও সময়ের সাথে সাথে অভিভাবকদের আস্থা বাড়তে থাকে এবং অংশগ্রহণ দ্রুত বাড়তে থাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) জানিয়েছে, ১২ অক্টোবর শুরু হওয়া এই অভিযান এক মাসের বেশি সময় চলেছে এবং দেশের প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ শিশুর মধ্যে ৪ কোটি ২৫ লাখের শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
ইউনিসেফ এই সাফল্যকে টাইফয়েড প্রতিরোধে ‘জাতীয় অগ্রগতি’ হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, এই অভিযান টাইফয়েড প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্কুলভিত্তিক টিকাদান (শিক্ষার্থীদের জন্য) এবং কমিউনিটি পর্যায়ে তৎপরতা (ড্রপআউট বা স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য) মিলিয়ে ‘জ্যাকপট কৌশল’ হিসেবে কাজ করেছে।
বাংলাদেশে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার অভিযান সফল হওয়ার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত, সরকারের পক্ষ থেকে টিকা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা টিকা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
তৃতীয়ত, স্কুলগুলোতে টিকা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চতুর্থত, কমিউনিটি পর্যায়ে তৎপরতা চালানো হয়েছে।
এই সব কারণেই বাংলাদেশে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার অভিযান সফল হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হল, এই অভিযান টাইফয়েড প্রতিরোধে কতটা কার্যকর হবে?
উত্তরটি একটু জটিল। টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কিন্তু এটি একমাত্র সমাধান নয়।
টাইফয়েড প্রতিরোধের জন্য আরও অনেক কিছু করা দরকার।
প্রথমত, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
দ্বিতীয়ত, পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে।
তৃতীয়ত, স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।
চতুর্থত, চিকিৎসা সেবা উন্নত করতে হবে।
এই সব কিছু করলে টাইফয়েড প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
অতএব, বাংলাদেশে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার অভিযান সফল হলেও এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া।
এই অভিযান টাইফয়েড প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কিন্তু এটি একমাত্র সমাধান নয়।
আমাদের এখনও অনেক কিছু করা দরকার।
আমাদের টাইফয়েড প্রতিরোধে সকলেই একসাথে কাজ করতে হবে।
আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে হবে, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে, পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ করতে হবে এবং চিকিৎসা সেবা উন্নত করতে হবে।
তাহলেই আমরা টাইফয়েড প্রতিরোধ করতে পারব।
আমাদের এখনই কাজ শুরু করা উচিত।
আমাদের টাইফয়েড প্রতিরোধে একসাথে কাজ করা উ



