রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ডন স্টার্জেসের মৃত্যুর জন্য নৈতিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। ডন স্টার্জেস ২০১৮ সালে নোভিচোক বিষক্রিয়ায় মারা গিয়েছিলেন। একটি অনুসন্ধানে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
ডন স্টার্জেসের অবস্থা প্রথম দিন থেকেই অত্যন্ত খারাপ ছিল। তিনি তার বাগড়ে নার্ভ এজেন্ট ছড়িয়েছিলেন, যা পারফিউমের মতো ছিল। তার সঙ্গী চার্লি রোলি একটি চ্যারিটি বিনে এটি খুঁজে পেয়েছিলেন। এটি ছিল ২০১৮ সালের জুন মাসে, যখন রাশিয়ার একজন প্রাক্তন গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল এবং তার কন্যা জুলিয়াকে স্যালিসবারিতে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।
রাশিয়া এই হামলার সাথে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা অনুসন্ধানের ফলাফলকে ‘অস্বাদু রূপকথা’ বলে অভিহিত করেছে। অনুসন্ধানের প্রধান লর্ড অ্যান্থনি হিউজ বলেছেন, ‘সের্গেই স্ক্রিপালকে হত্যার অভিযানটি অবশ্যই সর্বোচ্চ স্তরে অনুমোদিত হয়েছিল, পুতিনের দ্বারা।’
ডন স্টার্জেসের পরিবার বলেছে, ‘এখনও অনেক প্রশ্ন অব্যক্ত রয়েছে।’ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘রাশিয়ার ক্রিমলিনের নির্দয়তা এবং নিরপরাধ মানুষের প্রতি তাদের উপেক্ষার এটি একটি গুরুতর স্মৃতিচিহ্ন।’
রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউকে যুক্তরাজ্য সরকার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘আমরা সর্বদা পুতিনের নৃশংস শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াব এবং তার হত্যার মেশিনকে তার আসল রূপে চিহ্নিত করব।’
স্ক্রিপালকে হত্যার চেষ্টা করতে দুইজন রাশিয়ান নাগরিক স্যালিসবারিতে এসেছিলেন। তারা স্ক্রিপাল এবং তার কন্যাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চেয়েছিলেন। তারা ২০১৮ সালের ৪ই মার্চ স্যালিসবারির কেন্দ্রস্থলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পর থেকে যুক্তরাজ্য এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক নিয়ে বিশ্ববাসীর চোখ রাখা হচ্ছে।
ডন স্টার্জেসের মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা। এই ঘটনার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নৈতিকভাবে দায়ী করা হয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক নিয়ে বিশ্ববাসীর চোখ রাখা হচ্ছে। যুক্তরাজ্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে যুক্তরাজ্য এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউকে যুক্তরাজ্য সরকার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে। যুক্তরাজ্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।



