গত ৪ই মার্চ ২০১৮ সালে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর হেডকোয়ার্টারে একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটে। একজন ব্রিটিশ গোয়েন্দা এজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, যাকে বিষক্রিয়া করা হয়েছিল। এই ঘটনাটি ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিশ্বে একটি বড় ধাক্কা দিয়েছিল এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছিল।
সের্গেই স্ক্রিপাল, যিনি ১৯৯০-এর দশকে এমআই৬-এর জন্য গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করতেন, ২০১০ সালে রাশিয়ার সাথে একটি গোয়েন্দা বিনিময়ের মাধ্যমে ব্রিটেনে এসেছিলেন। তখন তার নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে মূল্যায়ন করা হয়েছিল যে তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষমা পেয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে এটি একটি ভুল ধারণা প্রমাণিত হয়েছিল।
স্ক্রিপালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছিল। তিনি একজন ‘স্থায়ী পরিত্রাণপ্রাপ্ত’ হিসেবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। তিনি একটি নতুন পরিচয় এবং জীবন চাননি। এটি হতে পারত একমাত্র উপায় যা হামলাকে প্রতিহত করতে পারত।
২০১৪ সালে, ইউক্রেনের প্রথম সংকটের কারণে রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়ে গিয়েছিল। স্ক্রিপাল ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সাথে কথা বলছিলেন, যা তার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, যিনি নিজেও একজন প্রাক্তন গোয়েন্দা, প্রায়ই দেশপ্রেমিকদের প্রতি তার ঘৃণা প্রকাশ করেন। রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ, যার স্ক্রিপাল একজন সদস্য ছিলেন, তারা পরিত্রাণপ্রাপ্তদের ভুলে যায় না।
প্রতিবেদনটি বলে যে নভিচোক নার্ভ এজেন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল রাশিয়ার ক্ষমতা প্রদর্শন করার জন্য। কিন্তু গোয়েন্দা বিশ্বের অনেকে বিশ্বাস করেন যে এটি আসলে অন্যদের জন্য একটি বার্তা ছিল – যদি তারা রাশিয়ার গোপনীয়তা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে ফাঁস করে, তাহলে তারাও একই পরিণতির সম্মুখীন হবে।
এই ঘটনাটি ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিশ্বের জন্য একটি বড় ধাক্কা দিয়েছিল। এটি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছিল। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও একটি বড় প্রভাব ফেলেছিল। এটি রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছিল।
এই ঘটনার পরে, ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা করেছে। তারা তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও একটি বড় প্রভাব ফেলেছিল। এটি রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছিল।
এই ঘটনার পরে, ব্রিটিশ সরকার রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা রাশিয়ান কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে এবং রাশিয়ার সাথে তাদের সম্পর্ক স্থগিত করেছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও একটি বড় প্রভাব ফেলেছিল। এটি রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছিল।
এই ঘটনার পরে, ব্রিটিশ গোয



